পর্ণ/মাস্টারবেশন থেকে মুক্তির উপায়

30এপ্রিল, 2018

আউযুবিল্লাহ পড়ে শুরু করি।

অস্বস্তিকর একটা বিষয়ে আলোচনা, তাইনা? পর্ণ আসক্তি এবং মাস্টারবেশন আসক্তদের মাঝে খুব কমই এই সমস্যা নিয়ে অন্যদের সাথে আলোচনার সাহস পায়। বাকিরা ভাবে, কার সাথে কথা বলব? কোন মুরব্বির সাথে কথা বলব? সে আমাকে কত খারাপ ভাববে..! এভাবে আর সে সমস্যা থেকে মুক্ত হতে পারে না।

প্রতিদিন এই অশ্লীল গুনাহে জড়িয়ে যাওয়া, এরপর অনুশোচনায় ভুগা। এটাই অনেকের দৈনিকের রুটিন। কেউ কেউ তো একদম হাল ছেড়ে দেন, “আমি বোধহয় এথেকে মুক্ত হতে পারব না!” অধিকাংশ পর্ণ – মাস্টারবেশন এডিক্টরা শুরুতে বন্ধুর পাল্লায় পড়ে একদিন দেখলেও পরে আসক্ত হয়ে যায়, চাইলেও আর এথেকে বের হতে পারে না। প্রতিদিন আত্মিক এবং শারীরিক ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে থাকে। দিনের পর দিন সে দুনিয়া এবং আখিরাতের ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যায়।

এপ্রসঙ্গে আমাদের গ্রুপে আগেও অনেক প্রশ্ন এসেছে, হয়তো আগামীতেও আসবে। তাই এই টপিকের ওপর উস্তায তিম হাম্বলের একটি লেখা অনুবাদ করা হয়েছে। আশা করছি, এটা আপনাদের জন্য উপকারী হবে। এরপর রয়েছে আমাদের পক্ষ থেকে দেয়া কিছু পরামর্শ।

১। দোয়া করুন।

অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর একটি হাদিস পেলাম। দীর্ঘদিন যিনার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া এক বালকের জন্য রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দোয়া করেছিলেন, (এখানে আমি দোয়ার সময় ব্যবহার করা “তাকে” পরিবর্তন করে “আমাকে” দিয়েছি)

اللهُمَّ اغْفِرْ ذَنْبِي وَطَهِّرْ قَلْبِي، وَحَصِّنْ فَرْجِي 

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির যাম্বী- ওয়া ত্বহহির ক্বলবী- ওয়া হাসসিন ফারজী-
অর্থ: হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন। আমার অন্তরকে পরিষ্কার করুন এবং আমার সতীত্ব রক্ষা করুন। (আহমদ- ২২২১১)

অনেকেই আমাকে এই দোয়ার কথা বলেছেন,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي، وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي، وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي، وَمِنْ شَرِّ قَلْبِي، وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّي

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আ’ঊযুবিকা মিন শাররি সাম‘ঈ, ওয়া মিন শাররি বাসারী-, ওয়া মিন শাররি লিসানী, ওয়া মিন শাররি ক্বালবী, ওয়া মিন শাররি মানিইয়ী।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই মন্দ কিছু শোনা থেকে, মন্দ কিছু দেখা থেকে, মন্দ কিছু বলা থেকে, আমার অন্তরের খারাপি থেকে এবং আমার দৈহিক কামনা বাসনার খারাপি থেকে। (আবু দাউদ ১৫৫১, তিরমিযী ৩৪৯২, নাসাঈ ৫৪৪৪,৫৪৫৫)

২। সাধারণ যেকোনো গুনাহ আর এই গুনাহের তীব্রতা সম্পর্কে বুঝার চেষ্টা করুন এবং এই গুনাহের প্রতি মনের মধ্যে ঘৃণা বোধ জাগিয়ে তুলুন। সঠিক পথ প্রাপ্ত লোকদের কথা বলতে গিয়ে সুরা হুজুরাতের ৭ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন, “সঠিক পথ প্রাপ্ত লোকেরা আল্লাহর পথে দ্বন্দ্ব এবং অবাধ্যতা পছন্দ করে না।” অনেক পূর্বসূরি আলেমদের মতে বান্দার গুনাহের জন্য এটাই যথেষ্ট যে, আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন, তাতে সে আনন্দ খুঁজে পায়।
এই হাদিসটি দেখুন,

সাওবান (রা:) থেকে বর্ণিত: নবী সল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: আমি আমার উম্মতের কিছু দল সম্পর্কে নিশ্চিত জানি যারা কিয়ামতের দিন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমল সহ উপস্থিত হবে। মহামহিম আল্লাহ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করবেন। সাওবান (রা:) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! তাদের পরিচয় পরিষ্কারভাবে আমাদের নিকট বর্ণনা করুন, যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বলেন: তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক যে, একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়ে লিপ্ত হবে। (সুনানে ইবনে মাযাহ ৪২৪৫)

অতএব, সতর্ক হন এবং নিজের মনে আল্লাহর অবাধ্যতার জন্য এই পাপাচারের এবং সাময়িক নিষিদ্ধ আনন্দের প্রতি গভীর ঘৃণা বোধ জাগিয়ে তুলুন। আর এই সংগ্রামকে সহজভাবে নিবেন না।

৩। আপনার নামাজের দিকে মনোযোগ দিন।

যখনই আশ্লীল বা অনৈতিক কাজে জড়িয়ে যাবেন তখন আপনার নামাজের দিকে খেয়াল করে দেখুন। নামাজ মিস হয়ে যাওয়া, নামাজে দেরি হচ্ছে কিনা, আযানে অমনোযোগী হয়ে যাচ্ছেন কিনা এবং নামাযে অমনোযোগী হয়ে পড়ছেন কিনা এসব বিষয়ে খেয়াল করুন। আল্লাহ বলেছেন- “নিশ্চয়ই নামায অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে ৷” (সুরা আনকাবূত ৪৫) নামাজ পড়ার পরেও যদি এরকম হয় তাহলে বুঝতে হবে সঠিকভাবে নামাজ হচ্ছে না।

৪। পাপ করার সাথে সাথে তওবা করুন।

আর কখনোই এমন কাজ করবেন না এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস রেখে, বিনয়ের সাথে আল্লাহর কাছে মাফ চান। লক্ষ্য অর্জনে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। হ্যাঁ, এটা সম্ভব যে আপনি আবার একই পাপকাজে জড়িয়ে যেতে পারেন। মনে রাখবেন প্রতিবার এটা বন্ধ করার জন্য আপনি যত দৃঢ় সংকল্প হবেন আপনার অবস্থা তত দ্রুত উন্নত হবে। নিম্নোক্ত হাদিসটি উল্লেখযোগ্য:

আবু হুরাইরা (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ কথা বলতে শুনেছি, এক বান্দা গুনাহ করল। তারপর সে বলল, হে আমার রব! আমি তো গুনাহ করে ফেলেছি। তাই আমার গুনাহ ক্ষমা করে দাও। তার প্রতিপালক বললেন: আমার বান্দা কি একথা জেনেছে যে, তার রয়েছে একজন রব যিনি গুনাহ ক্ষমা করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমার বান্দাকে আমি মাফ করে দিলাম। তারপর সে আল্লাহর ইচ্ছে অনুযায়ী কিছুকাল অবস্থান করল এবং সে আবার গুনাহে জড়িয়ে গেল। বান্দা আবার বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি তো আবার গুনাহ করে বসেছি। আমাকে তুমি মাফ করে দাও। তখন আল্লাহ বললেন: আমার বান্দা কি জেনেছে যে, তার আছে একজন রব যিনি গুনাহ ক্ষমা করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমার বান্দাকে আমি মাফ করে দিলাম। এরপর সে বান্দা আল্লাহর ইচ্ছানুযায়ী কিছুকাল সে অবস্থায় থাকল। আবারও সে গুনাহে জড়িয়ে গেল। বলল, হে আমার রব! আমি তো আরও একটি গুনাহ করে ফেলেছি। আমার এ গুনাহ মাফ করে দাও। তখন আল্লাহ বললেন: আমার বান্দা কি জেনেছে যে, তার একজন রব আছেন, যিনি গুনাহ মাফ করেন এবং এর কারণে শাস্তিও দেন। আমি আমার এ বান্দাকে মাফ করে দিলাম। এরকম তিনবার বললেন। (বুখারী ৭৫০৭)

৫। পাপের দিকে নিয়ে যায় এরকম সব কিছু থেকে বিরত থাকুন। এর জন্য যা কিছু করা প্রয়োজন আপনাকে করতে হবে। যদি আপনার স্মার্টফোন বদলে পুরনো মোবাইল ব্যবহার করতে হয়, ব্রডব্যান্ড বিচ্ছিন্ন করতে হয়, সবাই দেখতে পারে এমন স্থানে কম্পিউটার ডেস্ক নিয়ে যেতে হয়, তাহলে করে ফেলুন। আপনি যদি গুরুত্বের সাথে তওবা করেন, তাহলে যা যা প্রয়োজন সে সবকিছুই আপনাকে করতে হবে।

আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ আপনি নিতে পারেন। আপনার কম্পিউটারের সেটিংস পরিবর্তন করে অথবা সফটওয়্যার (k9 web protection, porn blocker) ব্যবহার করে খারাপ কন্টেন্ট ব্লক করে দিতে পারেন। আপনার ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদানকারীর সাথে এ ব্যাপারে কথা বলতে পারেন। সফটওয়্যার ব্যবহার করলে এমন এলোমেলো পাসওয়ার্ড দিন যা আপনি কোথাও লিখে রাখেন নি। তাহলে সফটওয়্যারটিকে চাইলেই আপনি বন্ধ করে দিতে পারবেন না। এগুলো খুব বেশি কিছু না। একজন দৃঢ়চেতা মানুষ চাইলেই এগুলো করতে পারেন। আপনি যত চেষ্টা করবেন গুনাহে জড়ানো ততই কঠিন হতে থাকবে।

৬। ভালো মানুষদের সাথে থাকুন।

এটা এমন এক গুনাহ যা সাধারণত সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন বা একা অবস্থায় করা হয়। আপনার একাকীত্ব যত কমবে, এই গুনাহের অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা তত বেশি হবে। প্রয়োজনে কারো সাথে আপনার রুম শেয়ার করুন। আপনার কম্পিউটার, ফোন এগুলো অন্যদের সাথে শেয়ার করুন। এতে গোপনীয়তা কম হবে।

৭। একা থাকা অবস্থায় যদি খারাপ চিন্তা আসে এবং যদি ভয় হয় যে আপনি পাপে জড়িয়ে যাবেন তাহলে এই স্থান থেকে তাড়াতাড়ি বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। এটা একা থাকা অবস্থায় আল্লাহকে ভয় পাওয়ার বিকল্প নয়, বরং এটা আপনি একটু আগে যা করার চিন্তা করছিলেন তা থেকে ফিরে আসার সাময়িক উপায়।

৮। নিয়মিত রোজা রাখুন। প্রতি সপ্তাহে অন্তত দুইদিন অথবা প্রয়োজনে আরও বেশি। রাসুলুল্লাহ (সা:) সাওমকে প্রবৃত্তি দমনকারী বলে উল্লেখ করেছেন।

আলকামাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ (রা:)-এর সঙ্গে চলছিলাম, তখন তিনি বললেন, আমরা আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে ছিলাম, তিনি বললেন: যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে, সে যেন বিয়ে করে নেয়। কেননা বিয়ে চোখকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে সংযত করে। আর যার সামর্থ্য নেই, সে যেন সাওম পালন করে। সাওম তার প্রবৃত্তিকে দমন করে। (বুখারি ১৯০৫)

৯। যদি মনে হয় এটা জ্বিনঘটিত কোন সমস্যা তাহলে ৭ দিনের ডিটক্স রুকইয়া করুন, তারপর পূর্ণ রুকইয়া করতে পারেন। তবে কিছু ব্যতিক্রম বাদে জ্বিনঘটিত সমস্যার কারণে এটা খুব কমই হয়। বেশিরভাগ লোকের ক্ষেত্রে জিন মানুষের প্রবৃত্তির ফায়দা নেয়। তাই আপনাকে এই কু-প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে যেতে হবে।

১০। এই ভিডিওটি দেখতে পারেন https://www.youtube.com/watch?v=25GpteVMBX0

[সংযুক্তিঃ এই বিষয়ের ওপর লেখা প্রথম বাংলা বই “মুক্ত বাতাসের খোজে” (এখানে পাওয়া যাবে http://bit.ly/2GAbgOF) বেশ উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।

পর্নোগ্রাফিঃ মানবতার জন্য হুমকি

Fight Against Dehumanization
এই দুইটি পেজ লাইক + সি ফার্স্ট দিয়ে রাখতে পারেন, ইনশাআল্লাহ এটা আপনার গুনাহ থেকে মুক্ত হতে সহায়ক হবে। ]

১১। আপনি যদি আবারো এই পাপকাজে জড়িয়ে পড়েন তাহলে আবার ১ নং পয়েন্ট থেকে আবার শুরু করতে করুন।

অনেকেই হয়ত বলবেন যে আমি কেন বিয়ের কথা বলছি না। যারা আমাকে এই সমস্যার কথা জানিয়েছেন তাদের একটা বড় অংশ এখনই বিয়ে করতে পারবেন না আবার এর মধ্যে অনেকেই আছেন বিবাহিত। তাই বিয়ে করলেই সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। উপরে উল্লেখিত সমাধানের মাধ্যমেও চেষ্টা করতে হবে।
আল্লাহ ভালো জানেন।

মুল: মুহাম্মাদ তিম হাম্বল
অনুবাদ: রাফায়েল হাসান
রুকইয়াহ সাপোর্ট গ্রুপ

পর্ণ আসক্তি থেকে মুক্ত হতে আমরা [Ruqyah Support BD] সাধারণত সেই টিপসগুলোই দিয়ে থাকি, যা ওয়াসওয়াসা রুগীদেরকে দেয়া হয়। তাঁর মাঝে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হচ্ছে-

১. যথাসম্ভব প্রতি ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সাথে পড়া। আপনাকে জামাতে অংশ নিতে দিবে না; এমন কাজ দেখলে পারতপক্ষে দূরে থাকা।

২. প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা, ঘুমের আগে এবং অন্যান্য মাসনুন যিকরের প্রতি খুব যত্নবান হওয়া।

৩. আসক্তির ব্যাপারে ওয়াসওয়াসা শুরু হলে (হরমোন প্রেশার বেড়ে গেলে) নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা করা, যথাসম্ভব রিয়েক্ট না করা। ইগনোর করে নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে যাওয়া।

৪. ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচার দোয়া পড়া। বিশেষত:

أَعُوذُ بِاللّٰهِ السَّمِيْعِ الْعَلِيْمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ مِنْ هَمْزِهٖ وَنَفْخِهٖ وَنَفْثِهٖ
এবং
أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللّٰهِ التَّامَّةِ ، مِنْ غَضَبِهٖ وَعِقَابِه ، وَشَرِّ عِبَادِه ، وَمِنْ همَزَاتِ الشَّيَاطِيْنِ ، وَأَنْ يَّحْضُرُوْنِ

৫. এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের ইচ্ছা রেখে প্রতিদিন কোরআনুল কারিমের আযাব বা শাস্তি সংক্রান্ত আয়াতগুলো (আয়াতুল হারক) তিলাওয়াত করা। প্রতিদিন সব শেষ করতে না পারলে, অল্প কিছু হলেও পড়া। এর পাশাপাশি আয়াতুল হারকের অডিও দিনে কমপক্ষে ২ বার করে শুনা। সাথে রুকইয়া যিনা অডিও দিনে কমপক্ষে ২ বার করে শুনা।
আয়াতুল হারক ও রুকইয়াহ যিনা অডিও ডাউনলোড: http://ruqyahbd.org/download এরপর আপডেট জানাবেন।

(এক্ষেত্রে পিডিএফ এবং অডিওর সহায়তা নিতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয়, যদি প্রিন্ট করে নেন এবং দেখে দেখে তিলাওয়াত করেন। লিংক:ruqyahbd.org/pdf)
——-
আল্লাহ আমাদের কবিরা গুনাহ থেকে দূরে থাকার তাওফিক দিন, আমিন

Leave a Reply

ে ি মতামত

    • আমরা আর মিডিয়া ফায়ার ইউজ করি না ভাই। আর এখন তো আমাদের সাইটেই ফাইল হোস্ট করা আছে। লেখাটা পূরানো বিধায় থেকে গেসে এই লিংক।
      জানানোর জন্য শুকরিয়া

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

80 − seventy seven =