পানিপড়া এবং রুকইয়াহ শারইয়াহ

কুরআন পড়ে পানিপড়া তৈরি করা পূর্বের এবং বর্তমানের বিরাট সংখ্যক আলেমগণের মতে বৈধ। উপরন্তু অনেকে এব্যাপারে পরামর্শ দিয়েছেন, উৎসাহিত করেছেন। এক্ষেত্রে অনেকেই প্রমাণ হিসেবে সুন্নাহ থেকে দলীল দেন, অথবা রুকইয়ার মূলনীতি সংক্রান্ত হাদিস উল্লেখ করেন, আবার অনেকেই সাবিত ইবনে কায়িস রা. এর হাদিসটি উল্লেখ করেন। তবে এ হাদিসটিকে অনেক মুহাদ্দিস দুর্বল বলেছেন।

সাধারণ মূলনীতি হল বিভিন্ন প্রকার রুকইয়াহ বৈধ হবে যতক্ষণ পর্যন্ত এতে কোন শিরক অথবা হারাম বিষয় না থাকে। 

সহীহ মুসলিমে আ’ওফ ইবনে মালিক রা. বলেছেন, “জাহেলিয়্যাতের সময় আমরা বিভিন্ন রুকইয়াহ করতাম। একদিন রাসুলুল্লাহ ﷺ কে এটা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করায় তিনি বললেন, ‘আমাকে তোমাদের রুকইয়ার পদ্ধতি দেখাও। এতে শিরক না থাকলে কোন সমস্যা নেই।’” [Hadith no. 5544]

এই বিষয় সম্পর্কিত বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়:

যাবির রা. বলেন, “রাসুলুল্লাহ ﷺ রুকইয়াহ নিষেধ করেছিলেন। তারপর আ’মর ইবনে হাজম রা.এর পরিবার রাসুলুল্লাহ ﷺ এর কাছে আসলেন এবং বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, আগে আমরা বিচ্ছুর দংশনে এটা দিয়ে রুকইয়াহ করতাম, কিন্তু আপনি রুকইয়াহ নিষেধ করেছেন।’ তারপর তাঁরা রাসুলুল্লাহ ﷺ কে সেটা (রুকইয়ার বাক্যগুলো) দেখালে তিনি বললেন, ‘আমি এটাতে ক্ষতির কিছু দেখছিনা। তোমাদের কেউ তার কোন ভাইকে এর মাধ্যমে সাহায্য করতে পারলে সে যেন তা করে।’” [Narrated by Ahmad and Muslim.]

আলী রা. বর্ণনা করেন, “এক বিচ্ছু রাসুলুল্লাহ ﷺ কে নামাজরত অবস্থায় হুল ফুটালো। নামাজ শেষ করে তিনি বললেন, “বিচ্ছুর উপর অভিশাপ। এটা নামাজরত ব্যক্তিকেও ছাড় দেয় না।” তারপর তিনি পানি আর লবণ আনতে বললেন এবং কুল ইয়া আইয্যু হাল কাফিরুন, কুল আউযুবি রাব্বিল ফালাক, কুল আউযুবি রাব্বিন নাস পড়তে লাগলেন আর আহত স্থানে লবণ-পানি দ্বারা ঘষতে লাগলেন।”

[At-Tabarani reported it in al-Mu’jam as-Sagheer 2/32 and al-Haythami said in Majma’ az-Zawaa’id, 5/114 “Its chain is fair” and al-Albaani said, “It is an authentic hadeeth” in as-Saheehah no. 548.]

মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ ইবনে সাবিত ইবনে কায়িস ইবনে শাম্মাস তাঁর পিতা এবং তাঁর দাদা থেকে বর্ণনা করেন, “রাসুলুল্লাহ ﷺ সাবিত ইবনে কায়িস রা. এর ঘরে যান (ইমাম আহমদ বলেছেন উনি অসুস্থ থাকা অবস্থায়) এবং এই বলে দোয়া করেন, ‘হে মানুষের প্রভু, সাবিত ইবনে কায়িস ইবনে শাম্মাস থেকে অসুস্থতা উঠিয়ে নিন।’ তারপর তিনি বাতহান (উপত্যকার) কিছু ধুলা একটি পাত্রে নিলেন, এটাতে পানি মিশিয়ে তাতে ফুঁ দিয়ে তাঁর গায়ে ছিটিয়ে দিলেন।

[Narrated in Sunan Abi Dawud quoted from ‘Awn al-Ma’bood – the Book of Medicine – the Chapter of Ruqaa 10/370, no. 3867. Also narrated by an-Nasaa’i in ‘Amal al-Yawmi wal-Laylah p. 557, and al-Bukhari in at-Taareekh al-Kabeer 8/377, and Saheeh Ibn Hibban 7/623. and al-Albaani said, It has a weak chain.]

সহীহ বুখারিতে পাওয়া যায় পানি হল জ্বরের আরোগ্য। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে হয়। কাজেই তাকে পানি দিয়ে নিভাও।” [Hadith no. 5723]

যেমনটা বদনজরের জন্য রাসুলুল্লাহ ﷺ যেভাবে যার নজর লেগেছে তাকে গোসল করিয়ে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসা করার নির্দেশ দেন সেভাবেই করতে হবে। [Saheeh Muslim no. 2188.]
.
শাইখ আব্দুল মুহসিন আল আব্বাদ রহ. সুনান আবু দাউদের উক্ত হাদিসের আলোচনায় বলেন,

“আবু দাউদে আছে সাবিত ইবনে কায়িস ইবনে শাম্মাস রা. বর্ণনা করেন, “রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার উনার কাছে আসেন এবং এই বলে দোয়া করেন, ‘হে মানুষের প্রভু, সাবিত ইবনে কায়িস ইবনে শাম্মাস থেকে অসুস্থতা উঠিয়ে নিন।’ তারপর তিনি মদীনার বাথান (উপত্যকা) থেকে কিছু ধুলা নিয়ে একটি পাত্রে নিলেন, এটাতে পানি মিশিয়ে তাতে ফুঁ দিয়ে তার গায়ে ছিটিয়ে দিলেন।” এই হাদীসে ‘তিনি পানিতে ফুঁ দিলেন’ এটা অসুস্থ রোগীদের জন্য এবং রুকইয়ার জন্য পানি পড়ার দলীল। এই হাদিসের সনদ দুর্বল কারণ এতে ইউসুফ ইবনে মুহাম্মাদকে ‘মাক্ববুল’ হিসেবে ধরা হয়।

আয়েশা রা. হতে নির্ভরযোগ্য সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনে আবী শাইবাহ হতে বর্ণিত, আয়েশা রা. পানিতে কোরআন পড়ে নেয়া এবং এটা অসুস্থ ব্যক্তিকে খেতে দেয়া অথবা এটা তার গায়ে ঢেলে দেয়াকে ক্ষতিকর হিসেবে দেখেননি। পানিতে ধুলো নেয়া এটা শুধু ইউসুফ ইবনে মুহাম্মাদের বর্ণনাতেই পাওয়া যায়। তাই ধুলো ব্যবহার করাটা সহীহ না। আয়েশা রা. থেকে নির্ভরযোগ্য সূত্রে বর্ণনা পাওয়া যায় যে এভাবে আয়াত পড়ে পানিতে ফুঁ দেয়া এবং এটা অসুস্থকে খেতে দেয়া অথবা তার গায়ে ঢেলে দেয়াকে তিনি বৈধ মনে করতেন। ড. ফাহাদ আশ-সুহাইমি উল্লেখিত আয়েশা রা.এর বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন, এই বর্ণনায় মা’শার ইবনে যিয়াদ ইবনে কুলাইব আল-হান্দালী সম্পর্কে ইবনে হাজার বলেন, তিনি ছয় নাম্বার নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারীদের একজন। ছয় নাম্বার বর্ণনাকারীদের সম্পর্কে তিনি বলেন, একদল মানুষ যারা পঞ্চম দলের মানুষদের সমসাময়িক ছিলেন। কিন্তু কোন সাহাবীর সাথে তাদের দেখা হয়েছে এমন কোন প্রমাণ নেই। এটা সত্যি হলে উপরোক্ত হাদীসের সনদে একটি ত্রুটি আছে।

রুকইয়াহ বৈধ হওয়ার ক্ষেত্রে আলেমগণ নিম্নোক্ত কিছু শর্তের কথা উল্লেখ করেন:

১. রুকইয়াহ হতে হবে মহান আল্লাহর বাণী দিয়ে অথবা আল্লাহর গুণবাচক নাম,প্রশংসা দিয়ে অথবা রাসুলুল্লাহ ﷺ থেকে সহীহ সনদে পাওয়া যায় এমন কিছু দিয়ে অথবা সাধারণভাবে আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমে। 

২. রুকইয়াতে ব্যবহৃত শব্দ এমন হতে হবে যার মানে বুঝা যায়।

৩. যেসব প্রতীক-চিহ্ন বুঝা যায় না সেগুলো ব্যবহার করা যাবে না। 

৪. যিনি রুকইয়াহ করবেন এবং যার জন্য করা হবে দুজনকে অবশ্যই বিশ্বাস রাখতে হবে যে, আল্লাহর অনুমতি এবং হুকুম ব্যতীত রুকইয়ার নিজস্ব কোন ক্ষমতা নেই।

৫. রুকইয়াতে আল্লাহর প্রতি অবাধ্যতা অথবা আল্লাহর সাথে শরীক প্রকাশ পায় এমন কোন কিছু থাকা যাবেনা। 

[Refer to the Fatwa ash-Shami 6/363, and also narreted from Imam Al-Nawawi in Fath al-Bari by Ibn Hajar al-‘Asqalani rh.],

পূর্ববর্তী আলেমগণের মতে পানি পড়া:

মুহাম্মাদ ইবনে মুফলিহ বলেছেন, “আব্দুল্লাহ (ইবনে আহমদ ইবনে হাম্বল) বর্ণনা করেন যে তিনি তাঁর বাবাকে পানিতে “আউযুবিল্লাহ…” পড়ে কুরআন পড়ে নিয়ে তারপর সে পানি পান করতে এবং নিজের উপর ছিটিয়ে দিতে দেখেছেন।”

ইমাম আহমদ রহ.এর ছেলে সালিহ বলেছেন, “একবার আমি অসুস্থ হয়ে ছিলাম। তখন আমার বাবা আমার জন্য পানিতে পড়ে সেটাতে ফুঁ দিয়ে তারপর সেটা আমার উপর ছিটিয়ে দিলেন আর আমাকে পান করতে ও সেটা দিয়ে আমার মাথা ধুতে বললেন।” [al-Aadaab ash-Shar’iyyah 2/441]

ইবনুল কায়্যিম রহ. বলেন, “মক্কায় থাকা অবস্থায় একবার আমি অসুস্থ হলাম। কাছে কোন ডাক্তার কিংবা ওষুধের ব্যবস্থা ছিল না। তখন সূরা ফাতিহা দিয়ে আমি নিজের চিকিৎসা করেছি। আমি জমজমের পানি নিয়ে কিছুটা পান করে এতে বারবার সূরা ফাতিহা পড়তে থাকলাম। তারপর এটা পান করলাম। এভাবে আমি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেলাম। তারপর থেকে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় আমি এই পদ্ধতি ব্যবহার করেছি এবং সবচেয়ে ভালো ফলাফল পেয়েছি।” [Zaad al-Ma’aad 3/188]

এ বিষয়ে বর্তমান সময়ের আলেমগণের মতামত:

শাইখ মোহাম্মদ ইবনে ইবরাহীম আল আশ শাইখ রহ. কে একবার কুরআন দিয়ে পানি পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো। তিনি বলেন, “এটা অনুমোদিত এবং কোন সমস্যা নাই। বরং আলেমগণ এতে উৎসাহিত করেন।” [Majmoo’ Fataawaa wa Rasaa’il 1/92.]

শাইখ সালিহ আল-ফাউযান রহ. বলেন, “একজন মুসলিমের জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো যে সে তার ভাইকে আয়াত পড়ে শরীরে অথবা ব্যথার জায়গায় ফুঁ দিলো। এটা রুকইয়াহ শারইয়্যাহ, সে যদি পানিতে পড়ে নেয় এবং এটা পান করে সেটাও একই।” [al-Muntaqaa 1/72 no. 131.]

তিনি আরও বলেন, “যেহেতু রাসূল ﷺ নিজে রুকইয়াহ করেছেন, নিজের উপরও রুকইয়াহ করেছেন এবং এটার অনুমোদন দিয়েছেন তাই যেভাবে ফুঁ আর পানি পড়ে রুকইয়াহ বর্ণিত আছে সেভাবে অসুস্থ ব্যক্তিকে কোরআন পড়ে শরীরে অথবা ব্যথার জায়গায় ফুঁ দিয়ে, পানি পান করিয়ে রুকইয়াহ করলে সেটা অনুমোদিত এবং বিধিবদ্ধ।” [al-Muntaqaa 2/141]

শাইখ সালিহ ইবনে আব্দুল আযিয আলে-শাইখ বলেন, “অসুস্থ ব্যক্তিকে কোরআন পড়ে ফুঁ দেয়া অথবা পানিতে পড়ে ফুঁ দিয়ে সেটা তাকে খেতে দেয়া রুকইয়ার অংশ। এতে কোন ভুল নেই কারণ সালাফ (পূর্বসূরি আলেমগণ) এটা করেছেন। এটা সমালোচনারও কোন সুযোগ নেই কারণ এটা সুন্নাহ সম্মত আমল। রুকইয়ায় যত কম জিনিসপত্র ব্যবহার করা হবে এটা তত ভালো হবে। এই কারণে আমার দাদা শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে ইব্রাহীম (আল্লাহ উনার উপর দয়া করুন এবং জান্নাতে উনার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন) বলেন, “অসুস্থ হবার পর যত দ্রুত রুকইয়াহ করা যাবে এবং এর মধ্যে যত কম জিনিসপত্র ব্যবহার করা হবে এটা তত উপকারী হবে।” [ad-Da’wah magazine p. 22, no. 1683 from Dhul-Qi’dah 1419 AH.]

শাইখ বিন বাজ রহ. তাঁর শরহে ফাতহুল মাজিদে বলেন, পবিত্র কোরআন এবং বরই পাতার গোসলের মাধ্যমে আরোগ্য কামনা করা বৈধ। এটা কোন বিদআত নয় বরং এটা বৈধ ওষুধ। রাসূল ﷺ বলেন, “হে আল্লাহর বান্দাগণ, তোমরা আরোগ্য কামনা করো এবং হারাম উপায়ে আরোগ্য কামনা করো না।” সুনান আবু দাউদে সহীহ সূত্রে বর্ণিত আছে যে রাসূল ﷺ একটি পাত্রের পানিতে পড়ে নিয়ে সেটা অসুস্থ একজনের উপর ঢেলে দিয়েছিলেন। এ থেকে আমরা বলতে পারি যে অসুস্থতায় আরোগ্য লাভের জন্য পানি এবং মধুতে পড়ে নিয়ে ব্যবহার করা বৈধ এবং এতে ততক্ষণ পর্যন্ত কোন ভুল নেই যতক্ষণ পর্যন্ত যা পড়া হবে এবং যার উপর পড়া হবে (যেমন: মধু, পানি, ওষুধ ইত্যাদি) তাতে শরিয়তের দৃষ্টিতে কোন ভুল না থাকে।

শাইখ ইবনে জিবরিন রহ.কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল- ‘অলিভ অয়েলের ওপর রুকইয়াহ করে ব্যবহার করা যাবে কি? আর একটা বোতলের মাঝে একাধিক ব্যক্তির জন্য রুকইয়াহ জন্য পানি পড়া বৈধ কি?’
তিনি বলেছেন- কোরআনের আয়াত বা দোয়া পানির ওপর পড়া হবে, যেমন জমজমের পানি এতে কোন নিষেধাজ্ঞা নেই। কিংবা অলিভ অয়েলের ওপর পড়ে সেটা অসুস্থ ব্যক্তির শরীরে ব্যবহার করা হবে, এতেও কোন সমস্যা নেই। একইভাবে একটি পাত্রে একাধিক লোকের জন্য রুকইয়া করতেও সমস্যা নেই। [Al-Lu’lu’ al-Makeen min Fataawaa Ibn Jibreen. islamqa,info fatwa no. 7872]

দারুল উলুম হাটহাজারির দারুল ইফতায় এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে উত্তরে বলা হয়েছিল – পানি, তেল বা এমন পবিত্র জিনিসের ওপর কোরআন এর আয়াত পড়ে ফু দিয়ে সুস্থতার জন্য খাওয়া বা ব্যবহার করা জায়েজ আছে। (৩০ জুমাদাল উলা ১৪৩৯এর মাঝে সেই ফাতওয়াতে মুফতি আযম আব্দুস সালাম হাফিযাহুল্লাহু সহ ৩জন প্রবীণ মুফতি সাহেব সাক্ষর করেছেন)

দারুল উলুম দেওবন্দে এবিষয়ে ইস্তিফতা (ফাতওয়া চেয়ে আবেদন) করা হয়েছে, ফাতওয়া আসলে এই লেখায় যুক্ত করে দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।

পরিশেষে আমরা এটাই বলতে পারি, যারা “পানি পান করার সময় পানিতে নিঃশ্বাস ফেলা যাবে না” এই হাদিস দেখিয়ে রুকইয়ার পানি পড়ার বিরোধিতা করেন, তাদের না হাদিস সম্পর্কে ধারনা আছে, না অতীতের বা বর্তমান সময়ের বিজ্ঞ আলেমদের ফাতওয়া সম্পর্কে ধারনা আছে। আর না রুকইয়াহ সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান আছে।
আল্লাহ আমাদের হিদায়াতের পথে অটল রাখুন, ভ্রান্তি থেকে হিফাজত করুন, আমিন!

উৎস: প্রথমাংশ উস্তায মুহাম্মাদ তিম হাম্বলের প্রবন্ধ এবং লেকচার থেকে সংগৃহীত, অনুদিত এবং পরিমার্জিত। পরবর্তীতে শেষের অংশ সংযোজিত হয়েছে।

Leave a Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।