ruqyahbd

একই ফ্যামিলিতে একাধিক বদনজর, জিন, জাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তি থাকলে করনীয়

এমন পরিবার অনেক আছে বাংলাদেশে। পুরো পরিবার আক্রান্ত। নাহয় ভাই-বোন আক্রান্ত না হয় স্বামী-স্ত্রী আক্রান্ত। এসব ক্ষেত্রে শয়তান পরস্পরের সহযোগি হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি দুই বোনের যাদুর প্রবলেম হয় তাহলে একবোন রুকইয়াহ করলে অন্যবোনের পিছনে লেগে থাকা শয়তান প্রথম বোনের পিছনে লেগে থাকা শয়তানকে সাহায্য করে, উৎসাহ যোগায়। মানে তারা একজোট হয়ে যেবোন রুকইয়াহ করছে তার পিছনে লাগতে পারে।
কাজেই এসব ক্ষেত্রে রুকইয়াহ করা যেমন কষ্টসাধ্য হয় তেমনি দীর্ঘমেয়াদি হয়। ১-২ বছর ধরে রুকইয়াহ করছেন কিন্তু আপনার সমস্যা দূর হচ্ছে না, কিছুদিন বাড়ে আবার কমে। যদি এমন হয় তাহলে এই সম্ভবনাও মাথায় রাখা রাখতে হবে যে, ফ্যামিলির অন্যদেরও রুকইয়াহ করা দরকার কিনা। ন্যায়ের পথে আমরা একত্র না হতে পারলেও অন্যায়ের পথে কিন্তু সব শয়তান ঐক্যবদ্ধ।
এসব ক্ষেত্রে সবচে’ ভাল ফল পাওয়া যাবে আমার মতে, যদি সবাই একই সাথে শয়তান তাড়ানোর মিশনে নামা যায় তথা সবাই একসাথে রুকইয়াহ করতে থাকলে। অন্যথায় এক বোন রুকইয়াহ করলে আরেকবোনের সমস্যা বাড়তে পারে। এমন অনেক হয়েছে বা আছে, মেয়ে রুকইয়াহ করছেন কিন্তু মা/বোন অযথাই তার সাথে ঝগড়া-ঝাটি লিপ্ত হচ্ছে। শয়তান মেয়ের সাথে না পেরে অন্যদের আক্রান্ত করছে। আর তাদের ফরজ আমল, মাসনুন আমলে ঘাটতির কারণেই হোক বা গুনাহের কারণেই হোক তারা শয়তানের ধোকায় পড়ে যান। ভাল জিনিসও সহ্য করতে পারেন না।
তাই বলে কি রুকইয়াহ করতে অনুৎসাহিত করছি? না, মোটেও না। আপনার ফ্যামিলির সবার সমস্যা কিন্তু অন্য কেউ রুকইয়াহ না করলেও আপনি রুকইয়াহ করবেন। কিন্তু মাথায় রাখবেন আপনার সামনে লম্বা পথ। এই পথ পাড়ি দিতে সম্ভাব্য সব রকমের কষ্ট করা লাগতে পারে। এই সময়টাতে ধৈর্য্য ধরবেন। আর ইন শা আল্লাহ আপনার ইম্প্রুভমেন্ট দেখে ফ্যামিলির অন্যান্যরাও উৎসাহিত হবে রুকইয়াহ করতে। তখন সবাই মিলে শয়তানের মোকাবেলা করতে পারবেন ইন শা আল্লাহ!
[আচ্ছা এইগুলা ধারণা বা অভিজ্ঞতামাত্র। ফিক্সড নয়।সবই এমন হতেও পারে, কয়েকটা এমন হতেও পারে, একটাও এমন না হতে পারে। সতর্কতার জন্য লেখা। আর কিছু না।]

– Ahmmad Robin

Facebook Comments

Default Comments (0)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seventy two − 69 =