সোশ্যাল ওয়াল – রুকইয়াহ গ্রুপ ও পেজের প্রিভিউ

No feed found with the ID 5. Go to the All Feeds page and select an ID from an existing feed.

Ruqyah Support BD

Ruqyah Support BD

76,898

কুফরি-শিরকি কবিরাজি নির্মূল এবং সুন্নাহসম্মত রুকইয়ার প্রসারে নিয়োজিত Ruqyah Support BD'র অফিসিয়াল পেইজ.

Comments Box SVG iconsUsed for the like, share, comment, and reaction icons

কখনো রুকইয়ার রোগীরা বলে রুকইয়াহ করলে খারাপ থাকে, না করলে ভালো থাকে (ইফেক্ট না হওয়াকে তারা ভালো মনে করে)। তাহলে তো রুকইয়াহ না করাই ভালো।
এটা হলো একটা ধোঁকা। জ্বিনের রোগী চায় আপনাকে ইবাদতে বাধা দিতে। যদি আপনি জ্বিনের কথামত ইবাদত না করেন বা দায়সারা করেন তবে আপাত দৃষ্টিতে ভালো বা স্বাভাবিক থাকবেন। কিন্তু এটা আসলে সুস্থতা না, বরং অসুস্থতা। যখনই ইবাদতে মনোযোগী হবেন তখনই বুঝতে পারবেন আপনি আসলে কতটা সুস্থ।
জ্বিন রোগীকে অনেক সময় ঢিল দেয়। রুকইয়াহ করলে ডিস্টার্ব করেনা। উদ্দেশ্য রুকুইয়াহ ছাড়ানো। যখন ছাড়িয়ে ফেলে, কিছুটা গাফিলও হয়ে যায় ইবাদত থেকে তখনই সে চেপে ধরে আগের চাইতে জোরে।
ইবাদত হলো তাই আসল লিটমাস টেস্ট। আপনি দেখত স্বাভাবিক, কিন্তু ইবাদতে গাফিল, কোনভাবে ফরযটা পড়তে পারলেই বাঁচেন, সুন্নত পড়ার টাইমই নাই। আপনার উচিত নিজেকে সিরিয়াসলি রকইয়াহ করে দেখা। হয় আপনার নিজের নফস খারাপ হয়ে গেছে, আর না হয় কোন খারাপ নফসের (জ্বিনের) প্রভাব পড়েছে।
-----
Mohammad Anwar Shah

... See MoreSee Less

4 days ago

Comment on Facebook

Same prblm amar

রুকইয়াহ কিভাবে করে

ঠিক

আমার রুকাইয়াহ করতে চায়। কিন্তু করতে গেলে অনেক ভয় লাগে। তাই করিনা😑 ১দিন রুকাইয়াহ আয়াত গুলো শুনতে শুরু করছিলাম। তখন অনেক ভয় লাগছিলো"

রুকাইয়া কীভাবে করে?

আমার সমস্যা আছে কিনা এটা কি বুঝা যাবে রুকাইয়াহ করার আগে।

নফসের বঙ্গানুবাদ জ্বিন? 🙄🤔

Tasmim Rahman post ta poro

???

View more comments

গান-বাজনার শরয়ী অবস্থান নিয়ে দুটি কথা,

গান বাজনা নিয়ে শরীয়তের এপ্রোচ বা ধাঁচ হলো - এগুলো নিষিদ্ধ, অবৈধ এবং আল্লাহর স্মরণ থেকে বিমুখকারী।
তবে গান ও বাজনা গোত্রের দুয়েকটি প্রকার শরীয়তের নসের মাধ্যমে সীমাবদ্ধভাবে বৈধ করা হয়েছে। যা সুনির্ধারিত। প্রথমটির ক্ষেত্রে সরল সুরে ভাল কথা সম্বলিত ছন্দময় বাক্য। দ্বিতীয়টির ক্ষেত্রে দফ তথা একপাশ খোলা চামড়াজাতীয় বস্তুর তৈরি বাজানোর জিনিস।
শরীয়ত কেন গান বাজনাকে একাট্টাভাবে অবৈধ সাব্যস্ত করে সীমিত দুয়েকটি প্রকারকে অনুমতি দিয়েছে?
কারণ গান বাজনার প্রধান ব্যবহারই হলো মন্দ, তামাশা ও আল্লাহর থেকে বিমুখতার ক্ষেত্রে। যে প্রকারগুলো বৈধ করা হয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে যে এগুলোর ব্যবহার সাধারণত মন্দ ক্ষেত্রে হয় না বা খাটে না। এগুলো মধ্যে উপরের খারাবী ও মন্দত্ব থেকে মুক্ত হবার বিষয়টি প্রবল।
সুতরাং শরীয়ত বাস্তব সমাজ বিশ্লেষণ করে এ বিষয়ে বিধান দিয়ে দিয়েছে। এবং বিধান থেকে এক্সেপশানগুলোকেও নির্ধারণ করে দিয়েছে। শরীয়তের দেওয়া এক্সেপশানগুলো বা তার সাথে পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ বিষয় ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে নিজের থেকে এ কথা বলা যে, খারাপ যুক্ত হলে খারাপ অন্যথায় ভাল একটি অবোধ কথা ছাড়া কিছু না। কারণ এক্সেপশান ছাড়া বাকিগুলোর মন্দত্ব শরীয়ত নিজেই সাব্যস্ত করে দিয়েছে। এখানে 'যদি' যোগ করে দুই ভাগ করা ফ্যালাসি ও নফসের ওয়াসওয়াসা যার কোনো বাস্তবতা নেই।

ঠিক পর্দার বিধানের মত। শরীয়ত নিজেই বিবেচনা করেছে যে, সাধারণভাবে নারীদের চেহারা খোলা থাকলে এটা ফিতনার কারণ হবে। এটাই হলো সাধারণ ও স্বাভাবিক অবস্থা। তবে কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ অবস্থা বিপরিত। যেখানে ফিতনা না হওয়া স্বাভাবিক। যেমন মহিলা যদি থুড়থুড়ে বুড়ি হয় যার যৌবন শেষ হয়ে গেছে তার জন্য চেহারা খুলে রাখা বৈধ। এমনিভাবে মাহরামের সামনে বৈধ। এমনিভাবে এমন পুরুষের সামনে যারা নির্বোধগোছের যৌনচাহিদা থেকে মুক্ত। এমনিভাবে যদি কোনো ক্ষেত্রে নিরুপায় হয় তবে সেখানেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। কারণ নিরুপায় হলে শরীয়তে ছাড় আছে। যেমন প্রচণ্ড ভীড়ে দমবন্ধ হওয়ার অবস্থা হলে অথবা যার খরচ বহন করার কেউ নেই এমন কর্মজীবী মহিলার কঠিন কাজে বাধ্য হওয়ার ক্ষেত্রে।
এই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো বা পুরোপুরি অনুরূপ ক্ষেত্র বাদ দিয়ে সাধারণ ক্ষেত্রে এ কথা বলা যে, ফিতনার আশঙ্কা থাকলে চেহারা ঢাকতে হবে অন্যথায় নয়- উপরের মতই অবোধ কথা। ফিতনার আশঙ্কা আছে বলেই তো শরীয়ত চেহারা ঢাকতে বলেছে। শরীয়তের নুসুস ও ফুকাহায়ে কেরামের বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে এটাই বের হয়ে আসে।

মিউজিক ও পর্দার ব্যাপারে এই জন্য সাধারণ বিধান এটাই বলা হবে যে, মহিলাদের চেহারা ঢাকা জরুরী। এবং মিউজিক অবৈধ। তবে কিছু ক্ষেত্রে শরীয়ত অনুমোদন দিয়েছে এই জন্য যে, শরীয়ত সেক্ষেত্রে সাধারণ অবস্থায় মন্দত্ব (قبح) দেখেনি।

শরীয়তের এপ্রোচ যারা উল্টে ফেলে এভাবে বলে যে, মিউজিক বৈধ তবে খারাপ কিছু যুক্ত হলে ভিন্ন কথা। পরপুরুষের সামনে চেহারা খোলা রাখা বৈধ তবে খারাপ কিছু যুক্ত হলে ভিন্ন কথা। এরকম কথা যারা বলে তারা শরীয়তকে খেলো বানিয়ে ফেলে। শরীয়ত তো মানুষের মনস্তত্ব বিচার বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে, মানুষের এগুলোর প্রতি আকর্ষণ আছে এবং এবং এগুলোর সাথে মন্দত্ব (قبح) ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। যদি তা (قبح لذاته) নয়। কিন্তু এর সাথে মন্দত্ব জড়িয়ে থাকাই হলো প্রবল। সুতরাং মানুষকে এই মন্দ থেকে বাঁচাতে হলে অবশ্যই এটাকে মোটাদাগে নিষিদ্ধ করে দিতে হবে। তারপর দাগ টেনে মেপে মেপে দুয়েকটি ক্ষেত্রে অনুমোদন দেওয়া হবে। যেন মানুষ নিজের খেয়ালখুশিমত মন্দ কাজ করে সেটাকে ভাল দাবী না করে বসে।
যারা শরীয়তের এই বিবেকসিদ্ধ পন্থাকে উল্টে দেয় তারা আসলে মানুষকে শয়তানের পথে ডাকে।

এই জন্য বহু উলামায়ে কেরাম মিউজিকের নিষিদ্ধতার ব্যাপারে ইজমা' বা এক্যমত্ব উল্লেখ করেছেন। কারণ তাঁরা শরীয়তের এই স্বাভাবিক এপ্রোচ বুঝতেন।

কিছু মানুষ মিউজিক নিষিদ্ধতার দলীল খুঁজে পায় না। আসলে তাদের চোখ থেকেও অন্ধ।
অথচ কুরআনের বহু আয়াত থেকে এর নিষিদ্ধতা প্রমাণিত।

কুরআনে সূরা লুকমানে (আয়াত ৬) লাহওয়াল হাদীসের নিন্দা করা হয়েছে। এর বলা যায় একমাত্র ব্যাখ্যাই হলো গানবাজনা। বহু সাহাবায়ে কেরাম এই ব্যাখ্যা করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের এই ব্যাখ্যাগুলো একেকটা হাদীসে মারফু' এর মর্যাদা রাখে। অন্য বিচ্ছিন্ন দুয়েক ব্যাখ্যা যা আছে সেগুলোও এই ব্যখ্যার সমর্থক, এটাকে নাকচ করে না।

কুরআনে সুরা বনী ইসরাইলে (আয়াত ৬৪) তে শয়তানকে বলা হচ্ছে, তুই যা পারস নিজ শব্দের মাধ্যমে উস্কানী দিয়ে সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত কর। এই আয়াতের তাফসীরে শয়তানের শব্দ দ্বারা মুজাহিদ, দ্বহহাক, হাসান বসরী গান, বাদ্যযন্ত্র উল্লেখ করেছেন।

সুরা ফুরকানের (আয়াত ৭২) আল্লাহর সৎ বান্দাদের গুণ বলা হয়েছে যারা 'যূর' এ উপস্থিত হয় না। এই যূর এর ব্যাখ্যা মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ, মুজাহিদ এবং ইমাম আবু হানীফা করেছেন গান দিয়ে।

কুরআনে সুরায়ে নাজমে (আয়াত ৬১) 'সামিদুন' দের নিন্দা করা হয়েছে। এই সামিদুনের ব্যাখ্যা হযরত ইবনু আব্বাস রা. থেকে আছে সুমুদ মানে হলো গান।

সহীহ বুখারীর (২/৮৩৭) বিশুদ্ধ হাদীস, আমার উম্মতের মধ্যে একদল লোক নিশ্চিত আসবে যারা যিনা, রেশম, মদ এবং বাদ্যযন্ত্রকে হালাল করে নিবে।

এই হাদীসে হালাল করে নিবে কথাটা যদি ঠিক রাখতে হয় তবে অবশ্যই এগুলোকে আগে থেকে হারাম মানতে হবে।
কতক অবোধ গবেষক বলেন যে, হালাল করে নিবে মানে আগেও থেকেই হালাল, তারা হালালকেই হালাল মনে করবে।
কতটা হাস্যকর এবং কত বড় তাহরীফ তা কল্পনাও করা যায় না! যদি আগে থেকে হালালই থাকে তাহলে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীসের সংবাদ দিলেন? নবীজীর কথা তো অর্থহীন না! আগে থেকে হালাল হয়ে থাকলে হালাল মনে করা লোকগুলো ভবিষ্যতে আসবে সে সংবাদ দিতে হলো কেন? ভবিষ্যতে যারা আসবে তারা ভিন্ন কিছু করবে সেটাই তো বলা উদ্দেশ্য এখানে। না হয় তো কথাটার কোনো মানেই দাঁড়ায় না। এছাড়ার এই বর্ণনার বিশুদ্ধ অপর সূত্রে যা ইবনু মাজায় রয়েছে সেখানে এদের উপর আজাব আসবে তা বলা হয়েছে। যদি তারা হালালকেই হালাল মনে করে তাহলে আজাব কীসের?!?

উপরে নমুনাস্বরুপ কয়েকটি আয়াত ও হাদীসের দিকে ইঙ্গীত করলাম। প্রয়োজনে আরও দেয়া হবে। এগুলো থেকে স্পষ্ট গান-বাজনা অবৈধ হওয়ার বিষয়টি। শরীয়তের তাহরীফ না করে এই সুস্পষ্ট নসগুলোর সামনে মাথা ঝুকানো কর্তব্য।

---
Mufti Sadid Malik
... See MoreSee Less

6 days ago

Comment on Facebook

দপ এর বিষয়টা আরেকটু ক্লিয়ার করলে ভালো হয়। মানুষ ঢোল আর দপ এক করে ফেলবে অথবা বলবে এটা বৈধ হলে ওটাতে সমস্যা কোথায়? আমি শরীয়তকে প্রশ্নবিদ্ধ করছি না। জানতে চাই।

Online business e ekhon kew kaw k blv kore na tai she khetre ki live ta hijab pore muk khola rekhe kira jabe ki? Business ta halal.

ওমর (রা:) খেলাফতকালে একবার প্রচন্ড ভূমিকম্প হলো, এর মাত্রা এত তীব্র ছিলো যে বাড়িঘরের খাট ভেঙে পড়ে। মানুষজন হতবিহ্বল হয়ে যায়। ওমর (রা) জনসম্মুখে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিলেন:
"তোমরা পাপাচারে লিপ্ত হয়ে গিয়েছো, ফলে দেখো কি আপতিত হচ্ছে। আরেকবার যদি এমন ঘটে, আল্লাহর কসম আমি তোমাদের ছেড়ে চলে যাবো"।

--
© Ustaz Saeedul Mustafa
... See MoreSee Less

1 week ago

Comment on Facebook

"যখন তারা একটি ভয়াবহ ভূমিকম্পে আক্রান্ত হলো তখন মূসা বলল, “রব আমার! তুমি চাইলে তো আগেই এদেরকে ও আমাকে ধ্বংস করে দিতে পারতে। আমাদের মধ্যকার নির্বোধেরা যা করেছে, তার জন্য কি তুমি আমাদেরকে ধ্বংস করে দেবে? এটি তো ছিল তোমার পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। এর মাধ্যমে তুমি যাকে চাও পথভ্রষ্ট করো, আবার যাকে চাও হিদায়াত দান করো। তুমিই তো আমাদের অভিভাবক। কাজেই আমাদের মাফ করে দাও এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ করো। ক্ষমাশীলদের মধ্যে তুমিই শ্রেষ্ঠ।"(আল-কুরআন, ৭ : ১৫৫)

রুকইয়াহর প্রচার অনলাইনে হওয়া হলো এই জাতীর জন্য রহমত ভায়া পরীক্ষা........

যত পেশেন্ট অনলাইনে এক্টিভ আছে তাদের ৯০% ফিতনার মাঝে দিন ও রাত কাটায়। ওমুক রাক্বি এই করে, ওমুক রাক্বি পেট থেকে গু বের করে, ওমুক রাক্বি মাথা থেকে উকুন বের করে ইত্যাদি দেখে এরা যা অসুস্থ ছিলো তার থেকেও বেশি এখন সাইকো।
আর একদল আছে স্বপ্নে কিছু হতে দেখলেই জ্বিন ও জাদু......
এরা যদি ভালো স্বপ্ন দেখে তাও নিজে তাবীর করে আবার খারাপ দেখলে তাও নিজে তাবীর করে।
কিভাবে???
"আজকে স্বপ্নে সাঁতার কাটতে দেখলাম" বলে চুপ থাকে না। সাথে সাথে এটাও বলে হয়তো আমাকে নতুন করে জাদু করছে।
"আজকে স্বপ্নে মিস্টি ও মজার সব খাবার খেতে দেখলাম" বলে চুপ থাকে না। সাথে সাথে এটাও বলে আবার জাদু করেছে। আর হয়ও তাই। কারন যেভাবে তাবীর করবে তাই তো হবে, নাকি?
এগুলো হয়েছে বিশেষজ্ঞ রাক্বিদের রুকইয়াহর প্রচারের ধরনের কারনে।
আর আমার মতামত এরা এরকম স্বভাবে থাকলে ইহকলে অসুস্থই থাকবে হয়তো। আল্লাহ ভালো জানেন.....
কেউ কথায় কষ্ট পেলে নিজ দায়িত্বে পাবেন(আমার উপর দায় দিয়ে লাভ নেই)। কিছু আঘাত ভালো দরদের থেকে।

--
Farhat Hussain
... See MoreSee Less

1 week ago

Comment on Facebook

Right..sopno dekhe kokhono kiso bisar korte nei..sopno valo kharap 2 dhoroner e hote pare..allha vorosha..

Yes

Asoly kotha gulo sotti

Muhammad Methun Dekcoh asholai uni faltu chilo Amakew eshob bolei hoirani korchilo🥺


Load more