কেস স্ট্যাডি ডকুমেন্ট (১-১০)

1. আসসালামু আলাইকুম। মুসলিমরা কুর’আনের সাহায্যে জ্বীন, ভূত ছাড়ায় যেটা আল্লাহর কালাম। তাই জ্বীন ভূত ভিক্টিমকে ছেড়ে চলে যায়। কিন্তু অন্যান্যধর্মের ধর্মগুরুরা কিভাবে বাইবেল, গীতা পড়ে ভূত ছাড়াতে পারে? যেখানে এই বইগুলো নিজেই গভীর শির্কে পরিপূর্ণ সেগুলো কিভাবে শয়তানের বিরুদ্ধে অস্ত্র হতে পারে?
Answer: “…আওফ ইবনু মালিক আশজাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা জাহেলী যুগে বিভিন্নমন্ত্র দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করতাম। তাই আমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আরয করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এব্যাপারে আপনার কি অভিমত? তিনি বললেন, তোমাদের মন্ত্রগুলো আমার কাছে পেশ করতে থাকবে, যদি তাতে শিরকনা থাকে তাহলে কোনো সমস্যা নেই। ((সহীহ মুসলিম হাদিস নং ইফাঃ ৫৫৪৪, ইসলামওয়েব ২২০০
প্রথমতঃ বিভিন্ন শয়তানি মন্ত্র আছে যার মাধ্যমে শয়তানদের সন্তুষ্ট করে তাদের সহায়তা নেয়া যায়, এবং এসবের প্রভাব তো অবশ্যই আছে। এরকম কিছু দিয়েও জ্বিন ছাড়ানো যায়।
দ্বিতীয়ঃ বিভিন্ন ধর্মের অনুসারী জ্বিন আছে, বিভিন্ন প্রকারের জ্বিন আছে। কোরআনপড়লে বিভিন্ন প্রকারের জ্বিনদের ওপর বিভিন্ন ইফেক্ট হয়। কেউ দেখে একটামারাত্মক আলো তাকে আঘাত করছে, কেউ দেখে প্রচণ্ড জোড়ে বজ্রপাত হচ্ছে ইত্যাদি। এরকমভাবে, কোরআন এর ইফেক্ট আর অন্যান্য ধর্মের ইফেক্ট এ পার্থক্য আছে।
তৃতীয়তঃ বিভিন্ন ধর্মের জ্বিন আছে। উদাহরণস্বরূপ খৃষ্টান জ্বিন আছে তারা অবশ্যইবাইবেলের কথা শোনে। তাদের সামনে যখন বাইবেল থেকে পড়া হয় কিভাবে ঈসা আ.জ্বিন ছাড়াইছে তখন তারা বিগলিত হয়, চলে যেতে রাজি হয়।
চতুর্থতঃ এসবে শিরক থাকে বিধায়ও শয়তান ধরতে পারে, অর্থাৎ এদের ধরলেই তো শিরকি কবিরাজের কাছে যাবে, শিরক করবে। শয়তান তো এটাই চায় মানুষ শিরক করুক, তখনআরও দাবি করে আমার নামে ছাগল জবাই করা, মুরগি জবাই কর, এই এই জিনিশ দে। এসবগুলোই গাইরুল্লাহর নামে কোরবানির মত শিরক। এসব শিরকে সন্তুষ্ট হলে তারপর শয়তান চলে যায়।
পঞ্চমতঃ এটাও সম্ভব যে, সেই ওঝা কোন জ্বিনের উপাসনা করে, সেই জ্বিন অনেক শক্তিশালী। অতএব, তার সাহায্য নিয়ে ছোট জ্বিনকে তাড়ায়।
 
2. আসসালামু আলাইকুম। রুকিয়া শোনার সময় অন্য কাজ করলে কি গুনাহ হবে? আমি যদি পড়ার সময়, ফেসবুক চালানোর সময় বা অন্য ঘরের কাজ করার সময় রুকিয়া চালিয়ে শুনি কোন সমস্যা হবে?
Answer: ওয়ালাইকুমুসসালাম, রুকইয়া আপনি যত গুরুত্ব দেখিয়ে শুনতে পারবেন তত ভালো, অর্থাৎ আপনি পাকসাফ হয়ে দুরাকাত নফল পড়ে ইস্তিগফার দরুদ পড়ে একদম মনোযোগ দিয়ে যদি শুনতে পারেন তবে সবচেয়ে ভালো। এসবের যতটা শিথিল হবে, উপকারও তত কম হবে। আর এমনিতেই কোরআন তিলাওয়াত হলে, মনোযোগ দিয়ে শোনাই উচিত।
এজন্য মনোযোগ দিয়ে শোনা ভালো, তবুও রুকইয়ার সময় ছোটখাটো কাজ করতে চাইলে করেন, তবে খেয়ালটা ওইদিকে রাখবেন।
ব্রেইন খাটিয়ে করতে হয় এরকম কাজ হলে ইয়ারফোন/হেডফোন ইউজ করে রুকইয়া শোনা উচিত। সম্ভব না হলে অনেক জোরে সাউন্ড দিয়ে শুনবেন যেন এটা আপনার মাথা দখল করে রাখে।
2.2. ফ্রিটাইম রাতে শোয়ার আগ পর্যন্ত খুব কম ই হয় ভাই যে নিরিবিলি বসে শুনবো। তাই চাচ্ছিলাম কাজের ফাকে শুনা,যায়কিনা সেভাবে শুনতে। আচ্ছা অজু ছাড়া রাতে ঘুমানোর সময় শুনলে হবে?
– জ্বি রাতে শুয়ে শুয়ে শুনতে পারেন, এটা একটা উত্তম সময়। আপনি কাজের ফাকে ফাকেও শুনবেন সমস্যা নাই। কম হলেও উপকার তো হবে।
 
3. আমার খালার খুব জ্বীনের সমস্যা আছে ,রাতে ঘুমিয়ে গেলে সাপের রুপ ধরে এসেমাথায় ছোবল দেয়| মাঝে মাঝেখালু কাজের জন্য বাহিরে থাকলে তার রুপে খারাপ উদ্দেশে আসে| আমার ছোট খালাত ভাই বোনদের সাথে ও ওই সমস্যা আছে| ওরা দেখে কেউওদের মাথার পাশে বসে আছে| তারা এটা সমাধানের জন্য চেষ্টা করছে কিন্তুপারেনি |এখন এটা থেকে মুক্তির উপায় কী?
আমার নিজের সাথে ও জ্বিনের সমস্যা আছে ,আমি তার উপস্থিতি টের পাই রাতে ঘুম ভেংগে গেলে। কী করলে সমাধান হবে?
Answer: আপনার খালার জন্য রুকইয়া করার বিকল্প নাই, উনার ওপর রুকইয়া করতে হবে। ততদিন উনি আপনার জন্য বলা টিপস ফলো করতে থাকুক – আর আপনার জন্য টিপস হচ্ছে, আপনি ঘুমের আগের এবং সকাল-সন্ধ্যার মুস্তাহাব আমলগুলো করতে থাকুন। আর সুরা ইয়াসিন, সফফাত, দুখান, জ্বিন তিনকুলের রুকইয়া শুনুন বেশি বেশি। ইনশাআল্লাহ ঠিক হয়ে যাবে।
 
4. আমি রুকিয়া নিয়ে কয়েকটা পোষ্ট পড়েছিলাম। তাই আমার কিউরিসিটি জাগলো রুকিয়া শুনার। কোন উদ্দেশ্য ছাড়াই দুপুর ১২টায় আমি রুকিয়া লাগিয়ে রেখেছি প্রায় এক ঘন্টা পয়তাল্লিশ মিনিট। এবং মন দিয়ে শুনেছি পুরোটা। তারপর আবার লাগিয়েছি সন্ধ্যায়। এভাবে করে আমি পরপর দুই কি তিন দিন রুকিয়া শুনেছি এবং খুব মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। প্রথম শুনার পরে আমি এটা বন্ধ করে যোহরের নামাযে দাড়াই, তখন আমি ফিল করতেছি আমার ডান কানটা খুব গরম হয়ে আছে আর হঠাৎ হঠাৎ কেমন চিরিক মেরে উঠতেছে।তারপরে আস্তে আস্তে আমার শরীর খুবই খারাপ হয়ে যায়।বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরানো।পুরো শরীর ঝিম ঝিম করতে থাকা। একেবারে প্র্যাগনেন্ট মহিলাদের মত অবস্থা। আর গালের মানে মুখের ভিতরের হাড় গুলো সব লক হয়ে গিয়েছিলো সাথে প্রচন্ড ব্যাথা করেছে। এমনকি কথা বলতেও খুব কষ্ট হয়েছে। কানের ভিতরেও প্রচন্ড ব্যাথা ছিলো। প্রায় একমাস এমন ছিলাম। এখন আলহামদুলিল্লাহ ভালো। রুকিয়া শুনাতে কেন এমন হয়েছিলো, আমার কি কোন সমস্যা আছে?
Answer: সম্ভবত এটা কোন জিন রিলেটেড সমস্যার জন্য হয়েছে। হয়তো আশেপাশে ছিল, আপনার শোনার কারণে বিরক্ত হয়ে আক্রমণ করেছে। আর আপনি বোধহয় সকাল সন্ধ্যার মাসনুন আমল করেননা। করলে এরকম হওয়ার কথা ছিল না।
4.2. আমার বাসার ছাদে জ্বিনদের বসবাস বহু আগ থেকে।আমি কি তাহলে রুকিয়া আবার চালিয়ে যাবো?
– এটাই তাহলে কাহিনী, সুরা বাকারা তিলাওয়াত করেন, পরপর তিনদিন। নিজেও উপকার পাবেন, বাসায় সমস্যা থাকলেও ঠিক হয়ে যাবে।
 
5. আমার দেবরের মেয়ের বয়স আাড়াই বছর। সে আজ প্রাই দশবারো দিন ধরে ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত। কিন্তু সমস্যা হচ্চে মেয়ে সব সমই প্রাই কাঁদছে। আর ঘরে থাকতে চাচ্ছেনা। শুধু বাইরে যেতে বলছে। মাঝ রাতেও উঠে কান্নাকরছে বাইরে যাওয়ার জন্য।তাই ওর বাবা মা কার কাছ থেকে নাকশা পড়িয়ে এনে গলাই পরিয়ে দিয়েছে। কার কাছ থেকে গাছ এনে খাওয়াচ্ছে।আবার বলছে কবিরাজের কাছে যাবেঘরে কনো সমস্যা হয়েছে নাকি দেখার জন্য।তো আমি মেয়েটির কুরআনীচিকিৎসা করতেচাচ্ছি এসব কুফুরি কালাম থেকে তাদের দূরে রাখার জন্য।আপনারা আমাকে বলুনআমি কিভাবে এবং কোন আয়াতগুলো দিয়ে তার চিকিৎসা করাবো। আর এরকম করার কারন কিহতে পারে। দয়া করে আমাকে সাহায্য করুন প্লিজ। আমার ফোনে এমবিনাই। তাইরুকিয়াগুলো ডাউনলোড দিতে পারছিনা। আমও নিজে তিলাওয়াত করতে পারবো কিনা এবং তার নিয়মগুলো কি দয়া করে জানাবেন প্লিজ।
Answer: বাচ্চাদের অস্বাভাবিক বিষয়গুলো সাধারণত বদনজরের জন্য হয়। এক্ষেত্রে মানুষের নজরলাগতে পারে, জ্বিনের নজরও লাগতে পারে। (যেটা বাতাস লাগা বলে পরিচিত) আমরা সাজেস্ট করবো বাচ্চাকে রুকইয়ার গোসল দিয়ে দিন, আর রুকইয়ার আয়াতগুলো পড়ে ফুঁ দিন। ইনশাআল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে।
রুকইয়ার গোসল: একটাবালতিতে পানি নিবেন, তারপর পানিতে দুইহাতডুবিয়ে ‘যেকোনো দরুদ শরিফ, সুরাফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সুরা ইখলাস, ফালাক্ব, নাস, শেষে আবার কোনো দরুদ শরিফ’ সব ৭বার করে পড়বেন। পড়ার পর হাত উঠাবেন, এবং এই পানি দিয়ে গোসল করাবেন। (যদি টয়লেট আর গোসলখানা একসাথে হয়, তাহলে অবশ্যই এসব সুরা বাহিরে এনে পড়বেন)
 
6. অভিশাপ দূর করার ব্যাপারে জানতে চাচ্ছিলাম। শোনা যায় অমুক পরিবারের ওপর বা বংশের ওপর মানুষের / জিনের অভিশাপ আছে, তাই দিনদিন তাদের অবনতি হচ্ছে। এসব কি সত্য? সত্য হলে এটা কিভাবে সমাধান করব?
Answer: এটাকয়েক রকম হতে পারে। হয়তো জ্বিনদের বড় কোন ক্ষতি করেছিল যার জন্য বংশপরম্পরায় প্রতিশোধ তুলতে চায়। অথবা মানুষ শয়তান হিংসা করে বদনজর দেয়… ব্যাপারটা এরকম না যে, কয়েক পুরুষ আগে দাদার দাদাকে কেউ একজন বদদোয়া দিছে এরজন্য বংশের সবাই সাফার করবে। ইসলামের মূলনীতি হচ্ছে, একজনের দোষ অপরজন বহন করবেনা।
6.2. সেক্ষেত্রে ধরে নিলাম যদি জীন/মানুষদের হিংসা-নজর এর দারা বড় কোন ক্ষতি হয়েও থাকে সেটা জানা যাবে কিভাবে আর এর সমাধান কি? যার জন্য বংশ পরম্পরায় প্রতিশোধ তুলতে চায়??
– জ্বিনরা যদি কারো ওপর বা কোন বংশের ওপর ক্ষেপা থাকা তাহলে তো স্বাভাবিকভাবেই জানা যাবে, ওরা ক্ষতি করলে জানিয়েই করে সাধারণত। বুঝাই যাবে জিনদের কারণে হচ্ছে, অথবা রুকইয়া করে জ্বিন ছাড়ানোর সময় স্বীকার করবে।
 
7. বিভিন্ন কঠিন রোগের জন্য রুকিয়ার ব্যাপারে জানতে চাচ্ছি। যেমনঃক্যান্সার,টিউমার। অনেকেই হোমিওপ্যাথি/এলোপ্যাথি কোন ঔষধই ক্ষেতে চান না, অথবা চিকিৎসার টাকা অনেক ব্যায়বহুল। অনেকের অনেক ডাক্তারি চিকিৎসা করেও কাজ হয় না।
7.2. আরো একটি সমস্যার কথা, আমাদের বাসার অনেকেরই এই সমস্যাটা আছে সেটা হল, অ্যালার্জী জাতীয় সমস্যার জন্য অনেক ঔষধ খাওয়া হলেও দেখা যায় কিছু সময়ের জন্য সেরে গিয়ে পরবর্তীতে তা আবারও হয়।এভাবে সমস্যা বেড়ে গিয়ে সেই স্থান থেকে দাঁদ এর মতোদেখা যায়। গরমে এর থেকেও বেশি মারাত্বক হয়ে পাঁচরা জাতীয় হয়ে যায়। আমি এরজন্য রুকিয়ার চিকিৎসা জানতে চাচ্ছি। আপনারা এইটার রুকিয়ার ব্যাপারে জানালে আল্লাহ দিলে খুব উপকৃত হতাম।
7.3. মানসিক প্রবলেমের জন্য কোন রুকইয়া করা উচিত?
Answer: প্রথমতঃ বদনজরের জন্য রুকইয়া করা, একদিন দুইদিন না। সপ্তাহর পর সপ্তাহ, প্রয়োজনে কয়েকমাস মাস ধরে করা। আর বাদ না দিয়ে লাগাতার প্রতিদিন করা। আমাদের রাসুল সল্লাল্লহুআলাইহিওয়াসাল্লাম বলেছেন – আল্লাহর ফায়সালা ও তাকদিরের পর মানুষ সবচেয়ে বেশি মরে বদনজরের কারণে। তাই আমরা বলতে পারি, অধিকাংশ প্রাণঘাতী রোগগুলোর পেছনে নিয়ামক হিসেবে থাকে বদনজর। এরপর অন্যান্য আয়াতে শিফা পড়া বেশি এবং রুকইয়া করা। যেমন, সাধারণ অসুস্থতার জন্য আয়াতে শিফা বেশ উপকারী। আমরা আপাতত একটা সাজেশন দিতে পারি। যেটা এরকম –
[সাধারণ অসুস্থতার জন্য রুকইয়াহ] বিভিন্ন অসুখ-বিসুখের জন্য রাসুল স. থেকে অনেক দু’আ কালাম পাওয়া যায়, রাসুল স.রুগীর মাথায়/কপালে হাত রেখে এসব পড়তেন, কখনো এসব পড়ে অসুস্থ ব্যক্তিকে ফুঁদিতেন। সব এখানে লেখা সম্ভব না। কোরআন থেকে প্রসিদ্ধ কয়েকটি রুকইয়া হচ্ছে- এগুলো তিনবার করে পড়া – “সুরা ফাতিহা, সুরা ফালাক, সুরা নাস, ৬টি আয়াতে শিফা” (৯/১৪, ১০/৫৭, ১৬/৬৯, ১৭/৮২, ২৬/৮০, ৪১/৪৪) এছাড়াও রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত রুকইয়ার দোয়াগুলো পড়া। [আয়াত ও দোয়াগুলো নিয়ে পোস্ট আছে আলাদা]
বিভিন্ন পদ্ধতি- ১. এগুলো সরাসরি পড়ে রুগীকেফু দিয়ে পারেন, বিশেষত যেখানে ব্যাথা সেখানে ফুঁ দিবেন। ২. রুগীর মাথায় হাত রেখে পড়তে পারেন, অথবা ব্যাথার যায়গায় হাত রেখে পড়তে পারেন। ৩. এসব পড়ে ঔষধ অথবা তেলের ওপর ফুঁ দিয়ে ব্যবহার করতে পারেন, মালিশ করতে পারেন। ৪. পুষ্টিকর কোন খাদ্য, পানি, ভিটামিন অথবা ডাক্তারের দেয়া ঔষধে এগুলো পড়ে ফুঁ দিয়ে খেতে পারেন। ৫.আর এর পাশাপাশি রুকইয়া শুনতে চাইলে “শাইখ হুযাইফি” ররুকইয়া শুনতে পারেন, এবং সা’দ আল গামিদির আধাঘণ্টার রুকইয়া শুনতে পারেন। সেখানে অনেক অনেক দোয়া, আয়াতে শিফা আছে। ৬. আর রুকইয়ার গোসলও বিভিন্ন অসুখের জন্য খুব উপকারী। (গোসলের পানিতে হাত রেখে সাতবার করে ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক, নাস পড়া। সেই পানি দিয়ে গোসল করা।) ৭. আল্লাহর কাছে তাহাজ্জুদ এবং নফল নামাজ পড়ে বেশি বেশি দোয়া করা।
মানসিক সমস্যার জন্য সুরা ইয়াসিন, সফফাত, দুখান, জ্বিন, তিনকুল – এই রুকইয়াটা খুব উপকারী। এমনিতেও মানসিক সমস্যা আক্রান্তের ওপর সুরা ইয়াসিন পড়ে রুকইয়া করা উপকারী হয়ে থাকে। পাশাপাশি রুকইয়ার গোসল করানো যেতে পারে।
 
8. আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়তাম তখন একবার জ্বিন দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছিল।তবে তাকে আমি পরিচিত এক মানুষ রূপে দেখেছিলাম। এরপর এরকম কোন ঘটনা ঘটেনিবেশ কয়েক বছর। ১১ সাল থেকে আমার সাথে বিভিন্ন অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে থাকে । জ্বি নবিভিন্নভাবে আমার উপর টর্চার করতে থাকে। ধীরে ধীরে তা খুব জঘন্যপর্যায়ে চলে যায়। আমি বিভিন্ন দুঃস্বপ্ন দেখতাম যেমন সাপ, কুকুর এগুলো নিয়ে। গ্রুপের দেওয়া জ্বিন আক্রান্ত ও বদনজর নিয়ে যে পোষ্ট গুলো আছে তারসাথে মেক্সিমাম symptoms ই আমার মিলে যায়। ৭-৮ মাস আগে আমি Abdullah Almahmudভাইয়ের পোষ্টগুলো পড়ি। তখন তার দেওয়া রুকিয়া অডিও ফাইলগুলো ডাউনলোড করি এবং শুনতে শুরু করি। কোন নিয়ত বা কোন কিছু ছাড়াই। শুধুমাত্রশুনে দেখার জন্য। যখন আমি অডিও ফাইলটির প্রথম আয়াত গুলো শুনলাম তখন আমিপ্রচন্ড ভয় পেয়েছিলাম। হার্টবিটপ্রচণ্ড জোরে হচ্ছিল আরআমার মাথা একদমঘুরে উঠেছিল এবং দেখলাম আমার পাশ দিয়ে একটা ছায়া হেটে চলে গেল। এরপর আমিমাঝেমধ্যেই রুকিয়া শুনতাম নরমালি। এতে জ্বিন খুবই ক্রুদ্ধ হয়ে যায় এবংআমাকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখাতে শুরু করে এবং বার বার হত্যা করার হুমকি দেয়।আমাকে সে প্রতিবারই বলত সে আমাকে কখনওই ছাড়বে না সে আমাকে ভালবাসে আমারপ্রতি তার অনেক মায়া এই মায়া ছেড়ে যেতে পারবেনা।আর এই কথাগুলো যখন বলততখন আমি স্বপ্নে কুকুর আমাকে এই কথাগুলো বলছে দেখতাম। জ্বিনের ভয় দেখানোসত্ত্বেও আমি রুকিয়া মাঝেমধ্যে শুনতাম এবং শোনার পর ২ বার আমার প্রচণ্ডজ্বর হয়। ২য় বার জ্বরের পরের দিন আমাকে জ্বিন ধরার চেষ্টা করেছিল কিন্তু ধরতে পারেনি তখন কেউ আমার কানের কাছে এসে বলেছিল আমি তোমার অনেক বড় উপকার করলাম। তখন আমি বলেছিলাম তুমি না আল্লাহ আমার উপকার করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। আরও বিভিন্ন স্বপ্ন দেখতাম ভাল খারাপ বিভিন্ন ধরনের। এর মধ্যে বেশ কিছুস্বপ্ন হুবাহু বাস্তবে হয়েছে। এর মধ্যে দুইটা স্বপ্ন বেশ কয়েকবার দেখেছিএকটা সাদা বাড়ি আমার বাড়ির পাশেই ওখানে খুব খারাপ কিছু আছে। ওখানে ব্ল্যাকম্যাজিক করা হয়।
আর একটা হল কাউকে জ্বিনে ধরেছে আমি বার বার আয়তুল কুরসি + সুরা নাস, সুরা ফালাক, সুরা ইখলাস পড়ে তাকে ফু দিচ্ছি। এটা অসংখ্যবার দেখেছি। আমার জ্বিন রিলেলেড ঘটনাগুলো অনেক বেশি। রুকিয়া শোনার পরে ৭-৮ মাস আরও অনেক অনেক ঘটনাই ঘটেছে। তাই আমি কোনটা ছেড়ে কি লিখবকিভাবে কি লিখব গুছিয়ে লিখতে পারছিনা। এরজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। রুকিয়া শোনার পরে আমাকে বার বার বলা হয়েছে রুকিয়া না শুনতে এবং একবার আমারমাথা প্রচণ্ড জোরে চেপে ধরে স্বীকারোক্তি নিয়েছে আমি রুকিয়া শুনব না আর।আমি বাধ্য হয়ে এই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলাম কারণ মাথা এতটাই সজোরে চেপে ধরছিলযে আমার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাবে। প্রচণ্ড অসহ্য রকমের যন্ত্রণা করছিল।তাই বাধ্য হয়ে আমাকে স্বীকারোক্তি দিতে হয়েছিল। এই ঘটনার পরে আমার রুকিয়াশোনার প্রতি একপ্রকারঅনিহা চলে আসে আর জ্বিন আমার উপর খুব জঘন্য টর্চারকরলেও আমি কেন যেন চাই না জ্বিন আমার কাছে থেকে চলে যাক। আবার আমি চাইও এটাচলে যাক। কিন্তু একে তাড়ানোর ইচ্ছাটা আমার মধ্যে খুবই কম।
এখন আমি ৩ টি জিনিস জানতে চাচ্ছি।
  1. আমি কি ব্ল্যাকম্যাজিকে আক্রান্ত?
  2. নিয়ত করে রুকিয়া শুনলে কোন কোন নিয়ত করব?
  3. আমি চাইলেও নামাজ, আমল করতে পারছিনা।কে যেন আমাকে বেঁধে রেখেছে। খুবকষ্ট হয় নামাজ পড়তে। মনে হয় আমাকে কেউ শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছে। এক্ষেত্রে সমাধান কি??
Answer: ১. আপনার বর্ণনা শুনে যা মনে হয়েছে, আপনার সমস্যা শুধু জ্বিনের। যাদু না। আর বদনজর সবার ই লাগতে পারে। আপনি আপনাকে পরামর্শ দিব আপনি জ্বিনের জন্য নিজেরনিজে রুকইয়া করবেন না, তবে বদনজরের জন্য কিছুদিন করেন। কমপক্ষে এক সপ্তাহ।
২. আর আপনি যেহেতু নামাজ পড়তে পারছেন না বুঝতে পারছি, এজন্য আপনার উচিত হবে আল্লাহর কাছে বেশিবেশি দোয়া করা যেন নামাজ পড়তে পারেন।
৩. সকাল সন্ধ্যার এবং ঘুমের পুর্বের আমলগুলো করা
৪. যতদ্রুত সম্ভব একজন রাক্বির সহায়তা নেয়া এবং জ্বিনকে বিদায় করা
8.2. এমন কোন আল্লাহর কালাম আছে যা শরীরে রাখলে জ্বীন শরীরে প্রবেশ করতে পারবে না?
– আল্লাহর কালাম শরীরে রাখার প্রয়োজন নেই। এতে বরং অবমাননা হওয়ার আশংকা থাকে অনেক সময়। আপনি প্রতিদিন রাসুল স. এর শিখানো দোয়াগুলো পড়বেন, সওয়াবও পাবেন, শয়তান ও যাদু থেকে হিফাজতেও থাকবেন।
 
9. ঘটনা টা আমার বোনের। উনি ছোট থেকেই অসাভাবিক রুগ্ন। আগে অনেকবার ওনার খিচুনি উঠেছিল। তখন ডাক্তার দেখিয়েও লাভ পায়নি। ঘুমের মধ্যে ওনাকে প্রায়ই খাওয়াতো। বিভিন্য জায়গায় ঘুরতে যেত। বিভিন্য আক্রিতির জিনের সাথে দেখা হতো। তাদের শহরে নিয়ে যেত। তো সেইদিন হঠাত করে সন্ধায় ওনার পেটব্যাথা উঠে। এর আগে উনি বলেছিলো ওনার জর জর লাগছে। আমি ওনাকে কালোজিরা আরমধু খেতে বললাম। উনি একটু বেশি করেই খেয়ে ফেলল। ফলে সন্ধার পর থেকেইপ্রচন্ড পেটে ব্যাথা। প্রায় মারা যায়যায় অবস্থা।আম্মু বলল বেশিখাওয়ার কারনে এমন হচ্ছে কিন্তু এমনটি হলে গরম লাগার কথা উপরন্তু ওনার শিতলাগছিল। আমি বুদ্ধি করে রুকিয়ার অডিও ছেড়ে দিলাম। এর পর থেকেই ওনারব্যাথা বাড়তে লাগল। আমরা সবাই সারা রাত জেগে কুরান পড়লাম। রুকিয়ার আয়াতো পড়লাম। পেট ব্যাথা আর প্রচন্ড বমি চলতেই থাকল। একবার জবান কিছুটাবন্ধ হয়ে গেলে কুরান কন্ঠনালি স্পর্শ করে পড়ার সাথে সাথে কন্ঠ খুলে গেল। জিনের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছি। লাভ হয় নি। ব্যথা একটু থামত আবার কুরানশুনলেই বেড়ে যেত। কুরানিক পানিও সে সময় স্প্রে করেছি। এর আগেও পেট ব্যথা হয়েছিল। সেনা ট্রিটমেন্ট দিয়ে সমাধান করেছিলাম। ওনার সেই পেট ব্যাথা ফযরের আগ পর্যন্ত থাকে। এরপর থেকে রুকিয়া গোসল,পানি,আযকার চলছে। অডিওশুনলে মাথা ভার হয়ে যায়। মাঝে মাঝেকাপুনি উঠে। প্রথম যখন রুকিয়া অডিওছাড়ি, উনি ভিত হয়ে ওঠেন। এটা আসলে কি সমস্যা। সকল মেডিকেল চেক আপ কম্পলিটবাট এভ্রিথিংইস নরমাল। রাতে প্রচুর দাত কাটেন। সপ্নে এক জিন নাকি ওনাকেভালবাসে এও বলেছে। উনি প্রায় সবসময়ি অসুস্থ থাকে। কি করা যায়?
Answer: আপনার বোনের ওপর লাগাতার রুকইয়া করতে হবে, আর বিভিন্ন মেথডে করতে হবে। যেমনঃ
  1. রুকইয়ার গোসল করানো
  2. মাথা, উভয় নাক- কানের ছিদ্রে এবং হাতের তালুতে রুকইয়ার তেল মালিশ করা, এরপর রুকইয়া পড়া শুরু করা
  3. কড়া আতর বা লোবানের ওপর রুকইয়ার আয়াত পড়ে সেটা শুকানো আর সাথে সাথেরুকইয়া করা।
  4. নিজেরা কিছুক্ষণ রুকইয়া তিলাওয়াত করা, এরপর ক্লান্ত হয়ে গেলে ভালো কোন অডিও প্লে করে দেয়া জোর আওয়াজে, এরপর আবার নিজে পড়া…. এভাবে লাগাতার কয়েক ঘণ্টা করা প্রতিদিন।
  5. মাল্টিভিটামিন, আয়রন, মিনারেল জাতীয় কিছুর ওপর রুকইয়ার আয়াত পড়ে ফু দিয়ে খাইয়ে দেয়া, এর কিছুক্ষণ পর রুকইয়া করা। যেন এর ইফেক্ট সারা শরীরে ছড়িয়ে যায়। এবং এর সাথেসাথে কোরআন পড়তে থাকা।
  6. আয়াতুল হারক পড়া, কোন কিছুতে ফু দেয়ার সময় সাধারণ রুকইয়ার আয়াত পড়ে ফু দেয়া। আর কানের কাছে আয়াতু; হারক পড়া। অথবা এর বিপরীত করা…
 
10. প্রায় এক মাস ধরে জেনারেল রুকিয়ার অডিও শুনছি। তিলাওয়াত চলাকালে মাঝে মাঝেঘুম আসে, বমি ভাব, মাথা ব্যাথা, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসতে চায়, গলার ভেতরেআর নাকের ভেতরে একটা গরম তাপ feel করি! আবার মাঝে মাঝে কিছুই মনে হয় না।তবে রুকিয়ার অডিও শোনার পর থেকে, রুকিয়া চলাকালীন সময় ছাড়াও এমনিতেনিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসতে চায়, দুর্বল লাগে, মাথা ব্যাথা, অল্পতেই মেজাজখারাপ হয়ে যায়, সবসময় বমি বমি ভাব কাজ করে কিন্তু বমি হয় না। আমি এর আগেও একবার রুকিয়া শুনতাম তখন নাক থেকে ব্লিডিং হতো। অসম্ভব দুর্বল হয়ে যাওয়া সহআরো নানা কারনেরুক্বিয়াস্টপ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু এবারো অনেক সমস্যাহচ্ছে। সবচেয়ে বেশী প্রবলেম হয় ইবাদাত করার সময়, এসব সমস্যার কারনে ঈমানের লেভেল আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে আমি নিজেই বুঝছি, যে হারে ঈমান কমে গিয়েছেআমার ভয় হয় এভাবে চলতে থাকলে আমি ঈমান হারা হয়ে কিনা।এছাড়াও ঘুমালেই দুঃস্বপ্ন দেখি। যেমন গতকাল খুব টায়ার্ড হয়ে ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম আর স্বপ্নদেখি কে যেন অত্যন্ত রাগের সাথে আমাকে চেপে ধরে যার কারনে আমার নিঃশ্বাসবন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, আমাকে বলছিল আমাকে মেরে ফেলবে, আর রুকিয়াশুনবো কিনা, তাওহীদ নিয়ে পড়াশোনা করবো কিনা (গত কয়েকদিন ধরে তাওহীদ নিয়ে পড়াশোনা করছিলাম) আমি নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে বাধ্য হয়ে কষ্টকরে সহ্য করছিলাম আর আল্লাহর কাছে দুয়া করছিলাম। কিন্তু একপর্যায়ে আমারমাথা চেপে ধরে এবার মনে হচ্ছিল আমার মাথা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে আমি মারা যাবো। একপর্যায়েআম্মু কার সাথে যেন কথা বলতে বলতেরুমে ঢুকে তো আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় আর সত্যিই আমার মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করি (এখনো ব্যাথা আছে।) অন্য সময়েও স্বপ্ন দেখি কারা যেন আমাকে দৌড়াচ্ছে এছাড়াও আরো অনেক। ঘুমানোর সময় অযু করে ঘুমানোর ট্রাই করি কিন্তু তারপরেও প্রবলেম হয়। আর সকাল-সন্ধ্যার যিকির স্টার্ট করার পর থেকে প্রবলেম সামান্য কমেছে আলহামদুলিল্লাহ কিন্তু তা সমস্যার তুলনায় সামান্য । এছাড়াও আরো অনেক অনেকধরনের নানা রকম সমস্যা হয় যা এখানে বলে শেষ করা যাবে না। অনেক বছর ধরে এইসমস্যা নিয়ে সবর করে আছি। ইদানীং নিজেকে মৃত মানুষ মনে হয়। রুকিয়া শুনছিপ্রায় এক মাস বা আরো বেশী তেমন একটা ফলাফল দেখছি না। মাঝে মাঝে হতাশা লাগে।এখন আমি কী করতে পারি? অনেক বছর সহ্য করার পর এখন আমি ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিআমার সবরের বাঁধ ভেঙ্গে যাচ্ছে।
আমার যতটুকু মনে পড়ে এই প্রবলেম শুরু হয়, তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম। একটা ফকির আমাদের বাসায় এসে প্রথমে পুরোনো কাপড় খুঁজছিল। পুরোনো কাপড় না থাকাতে তাকে দিতে পারি নাই কিন্তু পরে সে কৌশলে আমাকে কাছে ডেকে নেয় এবং আমার মাথার চুল টেনে নেয়! আমার অনেক অস্বস্তি লাগছিল। মূলত এরপর থেকেই আস্তে আস্তে প্রবলেম শুরু হয়। এখন তো প্রবলেম আরো অনেক বেশী বেড়ে গিয়েছে…চুল দিয়েকি যাদু করা যায়?
Answer: প্রথম তিনদিন এখানে যাদুর কমন ট্রিটমেন্ট যেটা দেয়া আছে ফলো করেন, অর্থাৎ ১. রুকইয়া শুনবেন ২. রুকইয়ার পানি খাবেন ৩. রুকইয়ার পানি দিয়ে গোসল করবেন.
তবে আপনি শুধু ইখলাস ফালাক নাস এর রুকইয়াটাই শুনবেন। প্রতিদিন অন্তত দেড় দুই ঘণ্টা। আমি সাধারণত জ্বিনের জন্য সেলফ রুকইয়া করতে মানা করি। আপনি যাদুর জন্য কমন রুকইয়া করেন তিনদিন, আর ইখলাস ফালাক নাসের রুকইয়া শুনেন বেশিবেশি। এরপর আপডেট জানান।

Leave a Reply

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

forty nine − = 47